ডিজিটাল ভোটিং পোর্টালের ভোটারদের প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য, ফেস বায়োমেট্রিক ভেক্টর, পেমেন্ট ট্রানজেকশন এবং গোপন ব্যালটের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আমাদের প্রতিশ্রুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা।
ফেস ভেরিফিকেশনের জন্য কোনো র' (Raw) ছবি সংরক্ষিত থাকে না। মুখমণ্ডলের বৈশিষ্ট্যকে ১২৮-মাত্রিক গাণিতিক ভেক্টরে রূপান্তর করে ইন্ডাস্ট্রি-স্ট্যান্ডার্ড AES-256-GCM এনক্রিপশনের মাধ্যমে নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়।
ভোট প্রদানের পর ভোটারের অংশগ্রণ এবং প্রদত্ত ব্যালট সম্পূর্ণ পৃথক ডাটাবেজ কালেকশনে সংরক্ষিত হয়। নির্বাচন কমিশন বা সিস্টেম অ্যাডমিনও জানতে পারবেন না কে কোন প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেছেন।
প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত সাব-ভেরিফায়ার কর্তৃক প্রদেয় আইডি কার্ড, স্টাফ নম্বর ও এনআইডি ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল উভয় পদ্ধতিতে যাচাই করার পরেই ভোটার তালিকা চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।
বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল পোর্টালে ভোটার নিবন্ধন ও প্রার্থী মনোনয়নের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যসমূহ সংগৃহীত হয়:
সাব-ভেরিফায়ার কর্তৃক একজন ভোটারের তথ্য চূড়ান্ত অনুমোদিত হলে তার জন্য একটি একক গোপন 'সিক্রেট ভোটিং কোড' জারি করা হয়। এই কোডটি ভোটারের নিবন্ধিত ইমেইলে প্রেরণ করা হয় এবং এটি পাসওয়ার্ডের মতোই সংবেদনশীল। কোনো কর্মকর্তা বা ভেরিফায়ার ভোটারের গোপন কোড দেখতে সক্ষম নন।
ভোটার নিবন্ধন ফি (৳২০০) এবং পদভিত্তিক প্রার্থী মনোনয়ন ফি প্রদানের সময় ব্যবহৃত বিকাশ বা নগদ মোবাইল ব্যাংকিং ট্রানজেকশন আইডি (TrxID) ও প্রেরক নম্বর শুধুমাত্র আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা ও ভাউচার রসিদ প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। কোনো পিন বা ওটিপি নির্বাচন কমিশন সংগ্রহ বা সংরক্ষণ করে না।
পোর্টালে সম্পাদিত প্রতিটি সংবেদনশীল প্রশাসনিক কার্যক্রম (ভোটার অনুমোদন, মনোনয়নপত্র দাখিল, ভোট প্রদান সময়কাল ও ফলাফল ক্যালকুলেশন) টাইমস্ট্যাম্প ও আইপি ট্রেইল সহ অপরিবর্তনীয় অডিট লগে লিপিবদ্ধ হয়। তৃতীয় কোনো বাণিজ্যিক সংস্থার নিকট ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্য হস্তান্তর বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ডেটা সুরক্ষা, ভোটার ভেরিফিকেশন বা বায়োমেট্রিক সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন বা অভিযোগের জন্য নির্বাচন কমিশনের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা যাচ্ছে: